মগ্নপাষাণ। সূর্যনাথ ভট্টাচার্য

আড়াই হাজার বছর আগে মগধের রাজধানী পাটলিপুত্র থেকে দশ ক্রোশ দূরে, অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গদেশ যেখানে এসে একবিন্দুতে মিলিত হয়েছে, তারই নিকটবর্তী অরণ্যসংকুল পার্বত্যভূমির বন্ধুরতায় এক বিশাল জলাশয় ঘিরে একটা ছোট্ট গ্রাম লুকিয়ে ছিল। গ্রামের নাম তিন্দারি। সুগম না হলেও, বনে ঢাকা তিনটি পায়ে চলা পথে তিন রাজ্যের সঙ্গে এই গ্রামের সংযোগ ছিল। কিন্তু তিন রাজ্যের সংযোগকারী অন্যান্য সুগম রাজপথগুলি থেকে এই ক্ষুদ্র জনপদটি একরকম অদৃশ্যই থাকত। চারপাশের অসমান টিলাগুলো এই গ্রাম ও জলাশয়কে এক সুরক্ষাবেষ্টনীর মতো প্রচ্ছন্ন রেখেছিল।
কীভাবে সেই তিন্দারি গ্রাম জড়িয়ে গেল মগধের সিংহাসনের সঙ্গে ? মৌর্যসম্রাট বিন্দুসারের মৃত্যু পরবর্তী রহস্যাবৃত বছরগুলোতে কীভাবে সিংহাসনকে কেন্দ্র করে রচিত হলো বহুমাত্রিক সমীকরণ ? এই প্রেক্ষিতেই ঐতিহাসিক আখ্যান, ‘মগ্নপাষাণ’।

মগ্নপাষাণ
সূর্যনাথ ভট্টাচার্য

প্রচ্ছদঃ সৌজন্য চক্রবর্তী
মুদ্রিত মূল্য: ৩৬৬ টাকা
#সুপ্রকাশ

Comments

Popular posts from this blog

অনন্যবর্তী।। দুর্লভ সূত্রধর।। সুপ্রকাশ।। পাঠপ্রতিক্রিয়া।।

আহাম্মকের খুদকুড়ো।। দুর্লভ সূত্রধর।। সুপ্রকাশ।। পাঠপ্রতিক্রিয়া।।

অনন্যবর্তী।। দুর্লভ সূত্রধর।। সুপ্রকাশ।। পাঠপ্রতিক্রিয়া।।