Posts

Showing posts with the label অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালা

মাটিয়ারির ইতিহাস।। গোবিন্দ বিশ্বাস।। সুপ্রকাশ

Image
নদীয়া জেলার প্রান্তবর্তী জনপদ মাটিয়ারির ইতিহাসে যেমন রয়েছে প্রাকচৈতন্যযুগের সময়কালের নির্দেশ, তেমনই রয়েছে চণ্ডীমঙ্গল ও মনসামঙ্গলের স্মৃতি। এই ইতিহাসের সূত্র ধরে বর্তমানে এসে পৌঁছানো মাটিয়ারি তার সংস্কৃতি ও ইতিহাসগত অবয়ব নিয়ে হাজির এই বইয়ে। সুপ্রকাশ অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালা ১০ মাটিয়ারির ইতিহাস গোবিন্দ বিশ্বাস প্রচ্ছদ : সুজন সোম মুদ্রিত মূল্য : ৩৯০ টাকা সুপ্রকাশ

একটি শিশির বিন্দু।। (বজবজ ও বাটানগর সংলগ্ন অঞ্চলের ছুঁয়ে দেখা গল্প-কথা-রাজনীতি-ইতিহাস)।। শুভদীপ চক্রবর্ত্তী।। সুপ্রকাশ

Image
"সাতচল্লিশে যে স্বাধীনতা এসেছিল অনেক রক্ত, দাঙ্গা আর দেশভাগের মিথ্যেকে সঙ্গে নিয়ে, সেই স্বাধীনতারই বছর পাঁচেক পরে বজবজে এসে পৌঁছালেন অদ্ভুত মানুষ একজন। কবি। বিপ্লবী। প্রেমিক। সর্বক্ষণ পায়ের তলায় সর্ষে যেন। এই যে, এখন এই অদ্ভুত এক শূন্যতা ঢাকতে সেই শূন্যতাকে সঙ্গে নিয়েই হেঁটে চলেছে সে সারাক্ষণ— সেই মানুষকেও কি তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে সেরকমই কোনো শূন্যতা? ক্রমশ সারবত্তা হারিয়ে ফেলা বামপন্থা আন্দোলনই কি কারণ সেই শূন্যতার? একটু কি ফিকে হয়ে আসছে লাল টুকটুকে দিন? তবু, পথ একটু ঘেঁটে গেলেও, লক্ষ্য তো স্থির। লক্ষ্য তো দাঁড়ানো সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলোর পাশে। দেখতে থাকা একটা দেশের আসল জীবনধারা। বছর তেত্রিশের বাঙালি যুবক তাই সদ্য ইউরোপ-ফেরতা স্ত্রীকে নিয়ে এসে উঠলেন এই বজবজে। চড়িয়ালের কয়লা সড়কের কাছেই ব্যাঞ্জনহেড়িয়ায়। মানুষের কাছে কী এত বলার তাঁর? কিংবা এতকিছু নয়, বলার শুধু এটাই যে, 'কমরেড আজ নবযুগ আনবে না?' 'নেমেছিলাম চড়িয়ালে। গ্রাম ব্যাঞ্জনহেড়িয়া। চটকল আর তেলকলের মজুরদের বাস। মাটির ঘর। সামনে এঁদো পুকুর। আঠারো টাকা ভাড়া। দু'জনেই সর্বক্ষণের কর্মী। বিনা ভাতায়। লেখালেখি থেকে মাসে সাকু...

বাংলাদেশের গাজীর গান।। কনক আমিরুল ইসলাম।। সুপ্রকাশ।।

Image
সুপ্রকাশ অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালা ১২ বাংলাদেশের গাজীর গান  কনক আমিরুল ইসলাম সুপ্রকাশ প্রকাশিতব্য

লুপ্তপ্রায় মাটির বাড়ি।। সুশান্ত বিশ্বাস।। সুপ্রকাশ।।

Image
বাংলায় মাটির বাড়ির বৈচিত্র্য ও কৃৎকৌশল নিয়ে সুপ্রকাশ অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালার এই বই 'লুপ্তপ্রায় মাটির বাড়ি'। সুপ্রকাশ অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালা ১১ ___________________________ লুপ্তপ্রায় মাটির বাড়ি সুশান্ত বিশ্বাস মুদ্রিত মূল্য : ২৫০ টাকা সুপ্রকাশ কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিতব্য।

লুপ্তপ্রায় মাটির বাড়ি।। সুশান্ত বিশ্বাস।। সুপ্রকাশ।।

Image
প্রকাশিতব্য..... সুপ্রকাশ অঞ্চলচর্চা গ্রন্থমালা ১১ লুপ্তপ্রায় মাটির বাড়ি সুশান্ত বিশ্বাস সুপ্রকাশ।  কলকাতা বইমেলায় স্টল : ৪৯৯

পথ মিশে যায় মিশনবাড়ি ।। (নদীয়া জেলার খ্রিস্টমেলা)।। সমরেন্দ্র মণ্ডল।। সুপ্রকাশ।।

Image
"তখনও কৃষ্ণনগর শহরটা গড়ে ওঠেনি। প্রাচীন নদীয়া বা নবদ্বীপের কাছেই ছিল 'রেউই' নামে একটি গ্রাম। মূলত গোপ বা গোয়ালাদের বাস। এই গোপদের আরাধ্য ছিল কৃষ্ণ। ইতিহাস পাঠে দেখা যায়, জলঙ্গী নদীর দক্ষিণ ধারে গড়ে ওঠা এই জনপদে ভবানন্দ মজুমদারের পুত্র রাঘব রায় মাটিয়ারি থেকে বাস তুলে বসতি গড়ে তুললেন রেউই গ্রামে। ভবানন্দ মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে রাজা খেতাব পেয়েছিলেন। ফলে বংশানুক্রমিকভাবে তারা রাজা হয়ে গেলেন। রাঘব রায় তৈরি করলেন রাজবাড়ি। তারই ছেলে রুদ্র রায় গোপদের মহাসমারোহে কৃষ্ণপূজা দেখে এবং কৃষ্ণের প্রতি নদীয়াবাসীর ভক্তি দেখে গ্রামের নাম দিলেন 'কৃষনগর'। গড়ে তুললেন রাজধানী করে। বাংলায় পর্তুগিজ আগমন এবং খ্রিস্টধর্ম প্রসারের প্রাক্কালে নদীয়া বা কৃষ্ণনগরে খ্রিস্টধর্মের অস্তিত্ব ছিল না। ১৮৩২ সালে নদীয়ার চাপড়া অঞ্চলে প্রোটেস্ট্যান্ট মতাবলম্বী সি এম এস বা চার্চ মিশনারি সোসাইটির পুরোহিত রেভা দিরে ধর্মপ্রচার শুরু করেন। কৃষ্ণনগরেও তখন প্রোটেস্ট্যান্টদের প্রভাব রয়েছে। এই শহরে ক্যাথলিক মিশনারিদের প্রথম পদার্পণের খবর পাওয়া যায় ১৮৪৫ সালে। ফাদার জুবিবুরু নামে এক ক্যাথলিক মিশনারি ১৮৪৫ সালে...

মুর্শিদাবাদের নবাবি কেল্লার কথা।। ফারুক আবদুল্লাহ।।

Image
'মীরজাফর পরবর্তী নবাবদের সাধ থাকলেও সাধ্য ছিলনা নতুন প্রাসাদ নির্মাণের। কারণ এমনিতেই ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নানান বাহানায় নবাবদের ভাতা কমিয়ে আসছিল। ফলে নবাবরা যা ভাতা পেতেন তা দিয়ে তাঁদের নবাবি ঠাটবাট বজায় রাখা ছিল কষ্টকর। এমতাবস্থায় তাঁদের পক্ষে নতুন প্রাসাদ নির্মাণ করা ছিল বিলাসিতার নামান্তর। কিন্তু পরিবার পরিজন নিয়ে এভাবে বসবাস করাও ছিল খুব কষ্টসাধ্য। ফলে নিজামত পরিবারের পক্ষ থেকে কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে তাঁদের পুরানো প্রাসাদের দৈন্যদশার কথা উল্লেখ করে নতুন প্রাসাদ নির্মাণ করে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে প্রচুর চিঠি লেখা হয়। চিঠি পেয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য এসে নতুন প্রাসাদ তৈরীর স্থান নির্বাচন, মাপ এবং খরচের হিসেব করেও শেষ পর্যন্ত কাজ আটকে যেত টাকার জন্য। কারণ কোম্পানি কখনোই এই খাতে খরচ করতে চাইতো না।  ঊনবিংশ শতকের প্রথমদিকে বিশেষ করে মীরজাফরের পত্নী মুন্নি বেগমের মৃত্যুর পর তাঁর এবং নিজামত পরিবারের বাকি মৃত সদস্যদের কয়েক বছরের বকেয়া ভাতা এবং মুন্নি বেগমের ব্যক্তিগত কিছু সম্পদ (সোনা, মণিমুক্ত, হীরে জহরত) বিক্রি করে একটি তহবিল গঠন করা হয়। যদিও পরবর্তীকালে আরও ক...