ঝিঙাফুলের কলি।। মিহির সেনগুপ্ত।।
'বাঁশরির অ্যাংলো-খারোয়ার অসামান্য রূপে যে আমি মুগ্ধ ছিলাম সেকথা আমি গোপন করিনি। যে-কোনো পুরুষের মতোই তার অসহ্যতার কথা আমি অকপটে বলছি। প্রায় বৎসরাধিককাল তার সঙ্গে মেলামেশা করেও যে আমি কীভাবে তার দৈহিক আকর্ষণ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিলাম, সেকথা আজকের এই শেষ বয়সে এসেও অবাক হয়েই ভাবি। তবে এর পিছনে যে শুধু আমার সংযমী কৃতিত্ব তা আদৌ ভাবার কারণ নেই। আমি ছিলাম একজন বিবাহিত পুরুষ। সে তখনও কুমারী। সেই বয়সটা আমাদের দু-জনকেই বিধ্বস্ত করতে পারত। কিন্তু আমরা পরস্পর পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট হলেও পরস্পরকে রক্ষা করেছিলাম অমিত প্রচেষ্টায়। এটা কারুর একক কৃতিত্ব ছিল না। অথবা আমরা কেউ কি জানি এই শরীর বিষয়ক কৃচ্ছ্রতা কোনো কৃতিত্ব না সাহসেব অভাব? উভয়ে উভয়ের প্রতি যে আসক্ত, তা কারুর কাছেই গোপন নেই। এ নিয়ে কোনো মিথ্যেচারও নেই। এমনকী আমার স্ত্রীও আমাদের পারস্পরিক মানসিক সম্পৃক্তি বিষয়ে অনবহিত তখন ছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে যদি কোনো রোম্যান্টিক গল্প উপন্যাস ফেঁদে বসতাম, সত্যমিথ্যে মিলিয়ে দিব্যি একটি হয় রগরগে, অথবা প্লেটনিক প্রেমের কাহিনি বিন্যাস করা যেত। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, লিখতে বসেছি স্ম...