অনন্যবর্তী।। দুর্লভ সূত্রধর।। সুপ্রকাশ।। পাঠপ্রতিক্রিয়া।।
সুপ্রকাশ প্রকাশিত দুর্লভ সূত্রধরের উপন্যাস 'অনন্যবর্তী' পড়ে গুডরিডস-এ মতামত জানিয়েছেন নিশা মিত্র। আমরা নিজেদের টাইমলাইন থেকে শেয়ার করছি। ................................................................ দুর্লভ সূত্রধর এখন বেশ নামকরা লেখক। তাঁর সব গল্প পড়া না হলেও আহম্মদের খুদকুড়ো-র নাম প্রায় অনেকের শোনা। অনন্যবর্তী ২০২৫-এ এসে সেই নব্বই-এর দশক বা তারও আগের গল্প শোনায়। কুন্তী নদীর ধারে বড়ো হয়ে ওঠা শৈশব, যৌবন ও বার্ধক্যের কাহিনী এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য। সেইসঙ্গে দেখতে শেখা চারপাশের পরিবেশ, মানুষজন কেমন পরিবর্তিত হয়ে চলেছে সময়ের সঙ্গে। তনয়, শোভন, টুকু, কাজু, তরণী, তপেশ কয়েকজন কৈশোর পেরোনো ছেলে মেয়ের সরল, সাধাসিধে গ্রাম্য বা আধা মফস্বলী জীবন। লেখক এই কৈশোর ও যৌবনের সন্ধিক্ষনে দাঁড়িয়ে থাকা চরিত্রগুলির মধ্যে দিয়ে বন্ধুত্ব, প্রেম, পড়াশোনা, মানসিক অস্থিরতা যেমন বুঝিয়েছেন, সেই রকমই সমান্তরালে শচিপ্রসাদ, সতীশচন্দ্র, ফনিভূষণ, ঊষাদেবী, কুসুমিতা এঁদের মাধ্যমে যৌবন থেকে বার্ধক্যে উন্নীত হওয়ার কাহিনীও ব্যক্ত করেছেন। রাজনীতি, সংকীর্ণতা, পারস্পরিক দ্বন্দ্ব বিভ্রান্ত করেছে চরিত্রগুলিকে। কিন্তু...
Comments
Post a Comment