টুক্কা।। কৌশিক ঘোষ।। সুপ্রকাশ।।
সন্ধে নামে। নিমাই তার দলবল নিয়ে মাঠে বসে। কার্তিক নিমাইয়ের কোণাকুণি নিকটবর্তী অবস্থানে, বিড়ি ধরায়। নির্বাচন-ফলাফল নিয়ে আলোচনা চলছে। চারু রান্নাঘরের কাছে গিয়ে বলে, "বৌমা, সন্ধ্যাটা দিয়ে দাও।" দাওয়ায় এসে দাঁড়ায় চারু। ভেতর থেকে তিনবার প্রলম্বিত শাঁখের শব্দ ভেসে আসে ও থেমে যায়। চারু টের পায়, অন্ধকারে জটলা, মাঠ থেকে নিমাইয়ের গলা ভেসে আসছে। ভেতরের ঘরে খাটে বসা রানির কাছে যায় চারু, বলে, "তোর বাপ মাঠে বসে, তাকে একবার ডাক না!" —"আমি যেতে পারব না এখন। অনেক লোক।" চারু গজগজ করে পায়চারি করে, "সে কদবা ঘরকে আসবে? সারাদিনে খাইছে সে?" এদিকে নিমাই মাঠে বক্তৃতা দিচ্ছে— "শুধু এই ওয়ার্ডের ব্যাপার নয়। আমরা লড়াই করেছিলাম। কিন্তু, এই পৌরনির্বাচনে বামফ্রন্ট ও বামপন্থী প্রার্থীরা হেরে গেছে। উনিশটি ওয়ার্ডের মধ্যে মাত্র পাঁচটা জিতেছি আমরা। চারটিতে সিপিআইএম, একটিতে সিপিআই। ফলে, কংগ্রেস বোর্ড গঠন করবে। কিন্তু খেটেখাওয়া মানুষের জন্য আমাদের লড়াই জারি থাকবে। স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে।" তারপর গলা উঁচু করে স্লোগান দেয়— "বামপন্থী ফ্রন্ট ঐ...